চলতি সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসনের জ্বালানি সচিবের কারাকাস সফরের পরই এ ঘোষণা এল। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে এখন থেকে বিশ্বের পাঁচটি বড় তেল কোম্পানি দক্ষিণ আমেরিকার এ দেশটিতে কাজ করার অনুমতি পাবে।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের অধীনস্থ অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) কিছু শর্তসাপেক্ষে বিপি, শেভরন, এনি, রেপসল ও শেল-কে ভেনেজুয়েলার তেল ও গ্যাস খাতে কাজ করার জন্য সাধারণ লাইসেন্স দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিপুল তেল সম্পদে সমৃদ্ধ এই দেশটির বিষয়ে জ্বালানি শিল্প সংশ্লিষ্টরা আগ্রহ দেখালেও কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করছেন। তাদের মতে, আগের সরকারগুলোর সময় সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার মতো ঘটনা ঘটায় বিনিয়োগের জন্য এখন স্বচ্ছ নীতিমালার প্রয়োজন।
ওএফএসির জারি করা লাইসেন্স অনুযায়ী, তেল ও গ্যাস থেকে প্রাপ্ত সব রয়্যালটি মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের নির্ধারিত অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে। ট্রাম্প প্রশাসন আগেই জানিয়েছিল যে, তারা ভেনেজুয়েলার জনগণের স্বার্থে এসব সম্পদ নিজেদের হেফাজতে পরিচালনা করবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট সরাসরিই ইঙ্গিত দিয়েছেন, নিকট ভবিষ্যতে ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ওয়াশিংটনের হাতেই থাকবে।
ওএফএসির দ্বিতীয় একটি লাইসেন্সের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোকে ভেনেজুয়েলায় সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে চীন, ইরান ও রাশিয়ার মতো দেশগুলোর অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে মার্কিন সংস্থাটি।





