সম্প্রতি নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি ট্রাম্পের হাতে তুলে দেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া করিনা মাচাদো। ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার জন্য ট্রাম্পকে এই উপহার দিয়েছেন বলে জানান তিনি। নোবেলের পদক পেয়ে মাচাদোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধার অনন্য নিদর্শন এই উপহার।
এবার ভেনেজুয়েলায় মাচাদোর ভূমিকা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প জানান, ভেনেজুয়েলার উন্নতির জন্য মাচাদোকে কীভাবে সম্পৃক্ত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে কারাবন্দী মাদুরোর সঙ্গে আলোচনার কোনো প্রয়োজন নেই।
এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের দুই সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মাচাদো। এ সময় তারা মাচাদোর প্রশংসা করে বলেন, ভেনেজুয়েলা এখন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে দেশটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে মাদক চক্রের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। শিগগিরই দেশে ফেয়ার আশা করছেন মাচাদো।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার তেল খোলা বাজারে ৫০ কোটি ডলারে বিক্রি করে যুক্তরাষ্ট্র। সেখান থেকে একটি অংশ কাতারের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়। তেল বিক্রির ৩০ কোটি ডলার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
এদিকে, ভেনেজুয়েলার সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে আরও একটি তেলের ট্যাংকার জব্দ করেছে মার্কিন বাহিনী। এ নিয়ে ৭টি ট্যাংকার জব্দ করলো যুক্তরাষ্ট্র। ভেনেজুয়েলার তেল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে ক্যারিবীয় অঞ্চলে প্রায় এক ডজন যুদ্ধজাহাজ ও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের পর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভেনেজুয়েলা। মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বাসিন্দারা। নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়েও খুব একটা আশাবাদী না তারা।
এদিকে, লাতিন অঞ্চলে চলমান অস্থিরতার মধ্যেই কিউবা সফরে গেছেন রাশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে দেশটির প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-ক্যানেলের সঙ্গেও বৈঠক করেন রুশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।





