রোববারের যুদ্ধবিরতির পর থমথমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সিরিয়া। তবে নতুন করে কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস এসডিএফের দখলে থাকা হাসাকাহের শহর দিকে সিরিয়ার সরকারি সেনাবাহিনীর একের পর এক সাজোয়া যান প্রবেশ করায় সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
এছাড়া, সংঘাত চলার সময় উত্তর সিরিয়ার রাক্কা শহরের একটি কারাগার থেকে ইসলামিক স্টেটের কমপক্ষে ৭০ বন্দি পালিয়ে যায়। এটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি দোষারোপে লিপ্ত শারা প্রশাসন ও এসডিএফ। বন্দিদের পুনরায় গ্রেপ্তারে রাক্কায় অভিযান জোরদার করেছে সেনাবাহিনী।
আরও পড়ুন:
সিরিয়ার আল- শাদাদ্দি শহরের কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ইসলামিক স্টেটের ১৩০ থেকে ২০০ সন্ত্রাসীকে পুনরায় বন্দির তথ্য জানিয়েছে দামেস্কের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সাম্প্রতিক সিরিয়া সংঘাতের প্রতি নজর রাখছে বহিঃর্বিশ্বও। সোমবার, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সিরিয়া সেনাবাহিনী ও এসডিএফের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। সিরিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথে তুরস্ক কোনো বাধা হবে না বলেও জানান এরদোয়ান।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার মানুষেরা আমাদের ভাই। আমাদের আপনজন । তাদের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল। দামেস্কের শান্তি বিঘ্নিত হয় এমন কিছুই আমরা করবো না। উত্তর অঞ্চলে সশস্ত্র বাহিনীগুলোর চাপের মধ্যেও সিরিয় সেনাবাহিনী বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি আশা রাখি সব পক্ষই দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী।
এছাড়া, সোমবার তুরস্কের রাস্তায় কুর্দিদের সমর্থনে বিক্ষোভে নামে কয়েকশ মানুষ। রাস্তা থেকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে চাইলে শুরু বিপত্তি। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তিতে জড়ায় বিক্ষোভকারীরা।
এছাড়া, ইরাকের এরবিলে মার্কিন দূতাবাসের কাছে কুর্দিপন্থীদের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।





