এর আগে, ১৭ জানুয়ারি ট্রাম্পের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যম পলেটিকো। যেখানে ইরানে খামেনির শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।
এর প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা বার্তা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও, ইরানে চলমান অর্থনৈতিক দুরাবস্থার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন পেজেশকিয়ান।
আরও পড়ুন:
ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের নিষেধাজ্ঞার জেরেই ইরানের মানুষ এই ভোগান্তিতে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন মাসুদ পেজেশকিয়ান।
এদিকে, গতকাল (রোববার, ১৮ জানুয়ারি) ইরানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলায়। তাই তেহরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ানোর দায়ও তাদেরই নিতে হবে।’





