
বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। অন্যদিকে মাকিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে ইরানে হামলার জন্য প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে ইন্টারনেট বন্ধে বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ইরানের। চলমান আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ জনে। ইরানের এক মানবাধিকার সংস্থার তথ্য মতে, নিহতদের মধ্যে ৪৮ জন বিক্ষোভকারী আর ১৪ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।

ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর এবার নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির জাহাজ শিল্প ও পরিবহন ব্যবস্থার ওপর জারি করা এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় শতাধিক ব্যক্তি, জাহাজ ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গতকাল (বুধবার, ৩১ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট। তবে এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। যেখানে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে নেয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পদক্ষেপের পাল্টা জবাব দেবে তেহরান।

খামেনিকে হত্যাই যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য: ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যাই যুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। আজ (বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন) দিনভর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের একটি হাসপাতাল ও তেল আবিবের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপ, ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে বলে সতর্ক করেছে রাশিয়া।

খামেনিকে হত্যায় ট্রাম্পের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা ইসরাইলের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাধায় আটকেছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গতকাল (রোববার, ১৫ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায় এ তথ্য। বলা হয়, গত কিছুদিন ধরেই খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনায় ট্রাম্পের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছে ইসরাইল।

শনিবার আরো তিন ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দেবে হামাস
নির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আরো তিন ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে হামাস। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম দ্য হারেৎজ। হামাস যদি চুক্তি লঙ্ঘন করে তবে গাজাকে দোজখে পরিণত করার হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর।