অসীম খনিজ সম্পদের ভাণ্ডার হওয়ায় এর দিকে নজর রয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলোর।কয়েক যুগ ধরেই উত্তরমেরুতে আধিপত্য বিস্তারে পাঁয়তারা করছে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। সেই উদ্দেশ্যে এরইমধ্যে একাধিক গবেষণাগারও স্থাপন করেছে সেখানে।
তবে এই অ্যান্টার্কটিকা নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো চীনের এক দল গবেষক। হুবেই প্রদেশের ওহান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, আইসবার্গ উল্টে যাওয়ায় অস্বাভাবিক গতিতে দুলছে সেখানকার হিমশৈলগুলো। আর এতে শিগগিরই সুনামি হতে পারে বলে শঙ্কা এই গবেষকের। উত্তর মেরুতে থাকা চীনের ঝুংসান কেন্দ্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ কথা বলেন তিনি।
চীনা গবেষক কে হাউ বলেন, ‘উত্তর মেরুতে পানির স্তরে অস্বাভাবিক নড়াচড়া দেখা যাচ্ছ। ঝুংসান সেন্টার থেকে পাঠানো ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট ধরা পড়েছে বিষয়টি। আইসবার্গ উল্টে যাওয়ায় পানির এমন গতিবিধি হয়েছে।’
উত্তর মেরুতে অবস্থিত চীনের ঝুংসান কেন্দ্র থেকে পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে আট দিন ও ফেব্রুয়ারির প্রায় প্রতিদিনই বরফস্তরে কম্পন দেখা গেছে। যা দ্রুত হিমশৈলগুলো গলতে শুরু করবে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আর গলে যাওয়া আইসবার্গের কারণে মধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র পরিবর্তন হয়ে এক থেকে দুই মিটার পানির উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে।
চীনা গবেষক কে হাউ বলেন, ‘গলে যাওয়া আইসবার্গগুলো তাদের মাধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র পরিবর্তন করে ফেলবে। এতে এক থেকে দুই মিটার পর্যন্ত পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে।’
গত ২০১৯ সালে উত্তরমেরুতে আইসবার্গ সুনামি হয়েছিল। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি গবেষণাগার।