এর প্রধান কারণ হিসেবে কোম্পানিটি মুদ্রা বিনিময় হারের জটিলতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে ব্যয় বাড়ার কথা উল্লেখ করেছে।
চলতি প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ১০০ কোটি ডলার থেকে ১৫ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের মধ্যে আয়ের পূর্বাভাস করেছে। যা পূর্বের ১৫ হাজার ৮৫০ কোটি ডলারের পূর্বাভাসের চেয়ে কম। এ সময়ে পরিচালন মুনাফাও প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে জানিয়েছে অ্যামাজন।
বাজারে বিদ্যমান নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, অ্যামাজনের বাৎসরিক আয় ১০ শতাংশ বেড়ে ১৮ হাজার ৭৮০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। ২০২৪ সালে ছুটির মৌসুমে বিক্রি বৃদ্ধি এবং এআই খাতে আয় বাড়ার মাধ্যমে এ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা বেড়েছে ১৮৯ শতাংশ। এর পাশাপাশি অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস এরও ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। একই সময়ে অ্যামাজনের বিজ্ঞাপন ও অনলাইন স্টোরের পরিমাণও বেড়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।—ইউরো নিউজ