খাদের কিনারা থেকে ঘুরে চলতি বছর বেশ চাঙা অবস্থায় ছিল এই খাত। কিন্তু হঠাৎ ইসরাইল-হামাস সংঘাত শুরুর পর ফের এই খাত অস্থিরতায় পড়েছে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের বুকিং কমেছে। ট্রাভেল ইন্ডাস্ট্রির ডাটা কোম্পানি ফরোয়ার্ডকিস জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আগেও ফ্লাইট বুকিং বাণিজ্য বেশ গতিশীল ছিল। গত ছয় মাসে ফ্লাইট বুকিং আর টিকিট বিক্রি বাড়ায় এয়ারলাইন্সগুলোর আয় ভালোই ছিল। তবে আশঙ্কা, আসছে শীতে ফ্লাইট বুকিং আরও কমতে পারে।
এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, সবকিছু যুদ্ধের ওপর নির্ভর করছে। মানুষ ওই অঞ্চলে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকছে। অন্য কোথাও ভ্রমণে যাচ্ছেন না। আগে থেকে ফ্লাইট বুকিং দিচ্ছেন না। সংঘাতের পর আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কায় অনেক এয়ারলাইন্স ইসরাইলে ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে।
আরো পড়ুন:
ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন বলছে, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান যাত্রীবাহী এয়ারলাইন্সগুলো ফ্লাইট কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট বুকিং সবচেয়ে কমেছে। সংঘাত শুরুর আগে এই অঞ্চলে ২০১৯ সালের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি ফ্লাইট বুকিং ছিল। এদিকে সৌদি আরব, জর্ডান, লেবানন ও মিশরের ফ্লাইট বুকিং কমেছে। কমেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইট বুকিং! সংঘাতের আগে মার্কিন এয়ারলাইন্সগুলোর ৬ শতাংশ বেশি ফ্লাইট বুকিং ছিল। এখন তা ৪ শতাংশ নিচে নেমে এসেছে।
অন্যান্য কারণেও বিশ্বব্যাপী ফ্লাইট বুকিং কমতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। এর মধ্যে হামাস-ইসরায়েল সংঘাত যেকোনো সময় গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই অনিশ্চয়তা বিমান ভ্রমণকে নিরুৎসাহিত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 founder Abhijeet Dipke during a protest-320x167.webp)



