মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সংঘাত, বিশেষ করে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ঘিরে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা, বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। শান্তির আহ্বান জোরালো হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। এমন প্রেক্ষাপটে শান্তির বার্তা নিয়ে সামনে আসেন ভ্যাটিকানের প্রধান পোপ লিও।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কুয়ালালামপুর সফরকালে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘শান্তি ও ন্যায়বিচারের এ আহবান সর্বজনীন এবং এটি অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।’ তিনি গাজা ও পুরো অঞ্চলে চলমান সহিংসতাকে অন্যায় ও অমানবিক বলেও উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘আলবানোস একজন ক্যাথোলিক, আমি একজন মুসলিম, কিন্তু আমাদের মধ্যে কিছুটা মিল আছে। আমরা পোপ লিওকে অত্যন্ত সম্মান ও শ্রদ্ধা করি। তিনি বিবেকের কণ্ঠ প্রকাশ করেছিলেন। আমরা পোপের সাম্প্রতিক বিবৃতিগুলো অনুসরণ করেছি এবং শান্তি, ন্যায়বিচার এবং নিপীড়নের অবসানের প্রতি তার ইচ্ছার সঙ্গে একমত।’
একই সুরে কথা বলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ। তিনি বলেন, ‘যেকোনো সংঘাতেই প্রাণ হারায় নিরীহ মানুষ, আর এর প্রভাব পড়ে পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতে।’
অস্ট্রেলিয়া প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, ‘আমরা সংঘাতের পরিণতি দেখছি। বিশ্বের অন্য দিকের একটি সংঘাত, এখন সবাই এটি সম্পর্কে সচেতন। সংঘাতের পরিণতি রয়েছে, যার মধ্যে নির্দোষ প্রাণহানিও রয়েছে। সে কারণই আমরা উত্তেজনা কমানোর এবং সামরিক কার্যক্রমের পরিবর্তে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের পক্ষে যুক্তি তর্ক চালিয়ে যাব।’
এর আগে ভ্যাটিকানে এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পোপ লিও বিশ্বনেতাদের প্রতি সহিংসতা বন্ধের আহবান জানান। বিশ্বজুড়ে যখন সংঘাতের ছায়া ঘন হচ্ছে, তখন শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে-সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে।





