কুয়ালালামপুর ট্রাফিক তদন্ত ও প্রয়োগ বিভাগের প্রধান যামযুরি ইসা জানান, স্থানীয় ময় আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল) সকাল ৫টা ৩৮ মিনিটে একটি প্রেডুয়া আলজা এবং ফোর্ড ফিয়েস্তার মধ্যে সংঘর্ষের খবর পায় পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ৩১ বছর বয়সী ওই সেনা কর্মকর্তা তার চালিত ফিয়েস্তা গাড়ি বিপরীত লেনে তুলে সরাসরি একটি আলজা গাড়িকে ধাক্কা দেন। আলজা গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ৪১ বছর বয়সী এক ই-হেইলিং চালক, যিনি কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে দুই বাংলাদেশি যাত্রী বহন করছিলেন।
দুর্ঘটনায় পেছনের মাঝের সিটে বসা ২২ বছর বয়সী বাংলাদেশি যুবক ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর মাথায় আঘাতই তার মৃত্যুর কারণ বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া ২০ বছর বয়সী বাংলাদেশি নারী যাত্রী বর্তমানে কুয়ালালামপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানায়, ই-হেইলিং চালকও মাথায় আঘাত পেয়েছেন। অন্যদিকে, ফিয়েস্তা চালক সামান্য আহত হলেও তার সঙ্গে থাকা ৩৬ বছর বয়সী এক নারী যাত্রীও আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শ্বাসপরীক্ষায় দেখা গেছে, অভিযুক্ত চালকের রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি ছিলো। তবে তার মূত্র পরীক্ষায় কোনো মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি সড়ক আইনের ১৯৮৬ এর সেকশন ৪৪(১) এর আওতায় তদন্ত করা হচ্ছে, যা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে মৃত্যুর কারণ ঘটানোর অপরাধ হিসেবে গণ্য।





