নিহতরা হলেন—তাজ উদ্দিন ইসলাম, সদর আলী, রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম ও নূরনবী সরকার। চিকিৎসাধীন দুই বাংলাদেশি হলেন—জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বর্ণনা অনুযায়ী, সেহেরি রান্না করতে গিয়ে গ্যাসের আগুনে কোয়ার্টারের সাত বাংলাদেশি দগ্ধ হন। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে পাঁচজনের মৃত্যু।
গুরুতর আহত অপর দুই বাংলাদেশিকে রাজধানী মালেতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ওই কোয়ার্টারে থাকা মোট ৩৮ বাংলাদেশির মধ্যে বাকিরা ঘটনার সময় অন্য কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন।
আরও পড়ুন:
শ্রম কাউন্সিলর সোহেল পারভেজ বলেন, ‘আহত দুজনের মধ্যে একজনকে আইসিইউতে এবং অপরজনকে ইমার্জেন্সি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে খোঁজখবর নিতে বর্তমানে হাই কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল ওই দ্বীপে অবস্থান করছেন।’
নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ারও কথা জানান তিনি। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
দিঘুরা দ্বীপ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম উসমান স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, আগুন লাগার সময় কিছু বাসিন্দা ঘুমিয়ে ছিলেন। এখন পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার সময় গ্যাস লিক হওয়ার কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে পুলিশের তদন্তের পর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা হবে।





