ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ওই এলাকায় ধারাবাহিক অভিযানে একজন মালয়েশীয় ও একজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তারা দুজনই ‘সোজুল গ্যাং’ নামে পরিচিত মানবপাচার চক্রের পরিবহনকারী হিসেবে কাজ করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুপুর দেড়টার প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয়। এতে একটি সুপারমার্কেটের পার্কিংয়ে দুটি গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। যানবাহন দুটিতে অবৈধভাবে দেশে আনা অভিবাসীদের পরিবহন করা হচ্ছিল বলে সন্দেহ করা হয়।
তল্লাশিতে ছয়জন বাংলাদেশি পুরুষ, একজন বাংলাদেশি নারী ও একজন মিয়ানমারের নাগরিককে আটক করা হয়। জাকারিয়া আরও জানান, পরে কুচাই লামা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অনুসরণমূলক অভিযান চালানো হয়, যা চক্রটির আস্তানা ও ট্রানজিট হাউস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে সন্দেহ করা হয়।
অভিযানে ১২ বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়। তারা প্রতিবেশী একটি দেশ থেকে সদ্য প্রবেশ করেছে এবং দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্য ও রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় পাঠানোর অপেক্ষায় ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, অভিযানে মোট ২০ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে, যারা অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ সময় দুটি যানবাহন, কয়েকটি বাংলাদেশি পাসপোর্ট, নগদ ৮২ হাজার ১০০ রিঙ্গিত এবং ৩ হাজার ৭০০ মার্কিন ডলার জব্দ করা হয়।
জানা যায়, চক্রটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে সক্রিয় ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা তৃতীয় দেশের রুট ব্যবহার করে বিদেশি নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় এনে কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করাত।
জাকারিয়া বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন ও মানবপাচারবিরোধী আইনের অধীনে অপরাধে জড়িত যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগ কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে।’





