আরও পড়ুন:
আলিঙ্গনের বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা (Health Benefits of Hugging)
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রিয় মানুষকে জড়িয়ে ধরলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটে। আলিঙ্গনের কিছু ভালো দিক হলো:
উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস (Reducing High Blood Pressure): ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনার সমীক্ষা অনুযায়ী, নিবিড় আলিঙ্গনের ফলে শরীরে অক্সিটোসিন (Oxytocin) হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
গভীর ঘুমে সহায়ক (Better Sleep Support): ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন বলছে, ঘুমানোর আগে প্রিয়জনকে অল্প সময়ের জন্য আলিঙ্গন করলে তা মনের প্রশান্তি আনে এবং গভীর ঘুম (Deep Sleep) নিশ্চিত করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি (Boosting Immunity): আলিঙ্গন করলে শরীরে কর্টিসল হরমোন (Cortisol Hormone) বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমে আসে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়।
হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখা (Regulating Heart Rate): প্রিয়জনের স্পর্শে অক্সিটোসিন ক্ষরণের মাধ্যমে দ্রুত হৃদস্পন্দনের হার স্বাভাবিক হয়, যা হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর।
আরও পড়ুন:
হাগ ডে-র ইতিহাস ও তাৎপর্য (History and Significance of Hug Day)
১২ ফেব্রুয়ারি দিনটি ভালোবাসা সপ্তাহের অংশ হিসেবে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। যদিও এর সঠিক প্রামাণ্য নথি পাওয়া কঠিন, তবে অনেকে মনে করেন ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া ন্যাশনাল হাগিং ডে (National Hugging Day) থেকেই এর আধুনিক পথচলা। বর্তমানের ব্যস্ত জীবনে প্রিয় মানুষের জন্য কিছুটা সময় বের করা এবং আলিঙ্গনের মাধ্যমে আত্মিক সংযোগ (Spiritual Connection) স্থাপন করাই এই দিনটির মূল উদ্দেশ্য।
সম্পর্কের গভীরতায় আলিঙ্গন (Strengthening Relationships)
আলিঙ্গন কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য নয়, এটি বন্ধু, পরিবার এবং সব প্রিয় সম্পর্কের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি (Sense of Security) ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে। এটি মানসিক চাপ বা স্ট্রেস কমাতে (Stress Relief) জাদুর মতো কাজ করে এবং নেতিবাচক চিন্তা দূর করে মানুষকে সুখী করে তোলে।
আরও পড়ুন:





