শিল্পকলা একাডেমির ২০২৬ এর অধ্যাদেশে আবৃত্তি শিল্পকে বিভাগ হিসাবে না রাখা ও গুরুত্ব না দেয়ার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে করেছে সংস্কৃতি কর্মীরা। আজ (শুক্রবার, ৬ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন কয়েকশো আবৃত্ত শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক।
এসময় বক্তারা বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে সরকার শিল্পকলা একাডেমির নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে। যেখানে ৬টি বিভাগ থেকে বাড়িয়ে ৯টি বিভাগ করা হয়েছে । কিন্তু এ নয়টি বিভাগের কোথাও আবৃত্তি শব্দটি নেই। অথচ ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশ, বিদেশের নানা আন্দোলনে আবৃত্তি শিল্পীরা জনমত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।’
আরও পড়ুন:
তারা আরও বলেন, ‘দেশের ৬৪ জেলায় পাঁচশেরও বেশি আবৃত্তি সংগঠন আছে। যেখানে বছরে অন্তত ২০ থেকে ৩০ হাজার শিশু, তরুণ, তরুণীরা আবৃত্তি প্রশিক্ষণ করে। এছাড়া শিল্পকলার অধীনেই ৬৪ জেলায় প্রশিক্ষক আছে, বছরে অন্তত ২ হাজার মানুষ আবৃত্তি শেখে।’
এ সময় সংস্কৃতি, যোগাযোগ দক্ষতা ও সমাজ পরিবর্তনের এ গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ারকে অবেলা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংস্কৃতিক সংগঠকরা। অবিলম্বে এ শিল্পকে নতুন বিভাগ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তারা।





