বিজ্ঞান মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. এ কে এম আক্তার হোসেন। তিনি বলেন, 'আমি ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানের প্রতি গভীর আগ্রহী ছিলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাকালীন আমি সুপার কন্ডাক্টিভিটি নিয়ে গবেষণা করেছি।'
তিনি আরও বলেন, 'বিজ্ঞানের মূল ভিত্তি হলো ইসলাম, তাই আমাদের উচিত ইসলামের শিক্ষা অনুসরণ করা। একইসাথে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে উদ্ভাবনী চেতনা ও গবেষণা বৃদ্ধির তাগিদ দেন।'
বিজ্ঞান মেলার সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মুহম্মদ হায়দার মিঞা ও অধ্যাপক মিলকী আমাতুল মুগনী। মেলার আহ্বায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. শরীফুল আলম।
বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল- বায়ো-প্লাস্টিকের ব্যবহার: পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক তৈরির সম্ভাবনা, অম্লবৃষ্টি (এসিড রেইন): এর কারণ ও প্রতিকার, আবর্জনা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন: টেকসই শক্তি ব্যবস্থাপনার নতুন দিক।
শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তাদের মেধার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন সমস্যা বিজ্ঞানের মাধ্যমে কীভাবে সমাধান করা যায়, সে সম্পর্কে নতুন ধারণা দেয়।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান, বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণ না করলে তারা বুঝতেই পারতেন না যে তাদের মধ্যে এত প্রতিভা লুকিয়ে আছে। তারা কলেজ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান, প্রতিবছর যেন এ ধরনের আয়োজন করা হয় এবং বিজ্ঞান ক্লাবের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়।
বিজ্ঞান মেলা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলতে অনন্য ভূমিকা রেখেছে।