উপাচার্য বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তনের কাজ চলছে। যেসব কোর্স পড়লে দেশের বাইরে চাকরি পাওয়া যায় সেগুলোকে অনার্সের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। শিক্ষকদের গবেষণা ভাতা দেয়া হবে।’
এ সময় তিনি জানান, তিন হাজার শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে জুলাই স্মৃতি পুরষ্কার। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে শিক্ষার্থীরা পুরষ্কার নেবেন। শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ময়মনসিংহ নগরীর বাড়েরা এলাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
আঞ্চলিক কেন্দ্র চালুর ফলে অধিভুক্ত কলেজগুলোর ফি আদায় ও সার্টিফিকেট প্রদান, খাতা বণ্টনসহ শিক্ষা কার্যক্রমে গতি আসবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান সরকার রোকন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, আঞ্চলিক কেন্দ্র সমন্বয় দপ্তরের পরিচালক মো. আমিনুল আক্তার, ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এ কে এম শফিকুল ইসলাম, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, আনন্দমোহন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শাকির হোসেন প্রমুখ।
ময়মনসিংহ জেলা ছাড়াও জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা জেলার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহ আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবধরনের কাজ সম্পন্ন করতে পারবে।





