এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের, উপ-মহাব্যবস্থাপক একেএম ফয়জুল হক এবং ‘তরঙ্গ’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর ইয়াসমিনসহ প্রতিষ্ঠান দু’টির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
জাকির আহমেদ খান বলেন, ‘হস্তশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় খাত। এ খাতকে সুসংগঠিত, রপ্তানিমুখী ও টেকসই শিল্পে রূপান্তর করতে হলে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা, দক্ষ জনবল সংকট, অবকাঠামোগত অপর্যাপ্ততা ও ব্র্যান্ডিং দুর্বলতার মতো সমস্যাগুলোকে কাটিয়ে উঠতে হবে। এ লক্ষ্যে বিশেষায়িত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে পিকেএসএফ।’
আরও পড়ুন:
মো. ফজলুল কাদের বলেন, ‘হস্তশিল্প খাতে নিয়োজিত নারীদের স্থানচ্যুতি ব্যয় নেই। তারা স্বস্থানে থেকে উচ্চমানের রপ্তানিযোগ্য পণ্য প্রস্তুত করছেন এবং ভালো উপার্জনের মাধ্যমে পরিবারে সমৃদ্ধি আনছেন। বাংলাদেশ থেকে হস্তশিল্প রপ্তানির পরিমাণ শতকোটি ডলারের মাইলফলক ছোঁয়ার প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের লক্ষ্যে আমরা হস্তশিল্প খাতে কারিগরি সহায়তা পাশাপাশি টেকসইভাবে অর্থায়ন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিচ্ছি।’
ল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পরিচালিত ‘তরঙ্গ’-এর হস্তশিল্প কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে ৩২ হাজার নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। পাট, কচুরিপানা, হোগলাপাতা, তালের আঁশ, কলাগাছের আঁশ, বাঁশ, বেত, প্রাকৃতিক রঙ ইত্যাদি উপাদান ব্যবহার করে প্রস্তুতকৃত পণ্যের বিক্রয়লব্ধ মোট আয়ের ৪০ শতাংশেরও বেশি এসব কর্মীর মজুরিতে ব্যয় হয়। ‘ন্যায্য বাণিজ্য’ ধারণার ভিত্তিতে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পণ্য বিশ্বের ৫০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক হস্তশিল্পের বাজার ছিলো প্রায় ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে বিশাল এ বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব নগণ্য। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৯ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের হস্তশিল্প রপ্তানি করেছে। দেশিয় হস্তশিল্প পণ্যের প্রধান ক্রেতা যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।





