এভাবেই বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির দুর্গম বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে দেশে আসছে শত শত গরু। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আসা এসব গরু চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়।
অভিযোগ রয়েছে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে গরু আনে। পরে এসব গরু প্রকাশ্যে হাটে কেনাবেচার পর রশিদের মাধ্যমে বৈধতা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দেশের খামারিরা। রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
এছাড়া গরুর সাথে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার চালানও দেশে আসে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময় চোরাই পথে নিয়ে আসা এসব গরু জব্দ হলেও ধরা ছোঁয়ার বাইরেই রয়ে যায় পাচারকারী সিন্ডিকেট সদস্যরা।
তবে, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা।
বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ আমার কাছে কোনো এমন কোনো তথ্য নেই যে এখানে চোরাচালানের গরু উঠে বা গরুর ব্যবসা করা হয়। এমন কোনো যদি অভিযোগ আছে আর তা যদি প্রমাণিত হয় তাহলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’
গেল মাসে গরু চোরাচালান করতে গিয়ে সীমান্ত মাইন বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন অন্তত ১২ বাংলাদেশি।