ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানাধীন সাহেবনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ২৯ রাজধানীর নবোদয় হাউজিং এলাকায় জাপান এবং ব্রাজিলের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়ার গ্রুপের সঙ্গে একই এলাকার রিপন ও পারভেজ গ্রুপের মারামারি হয়।
১ জুলাই বুধবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষই মীমাংসার জন্য সালিশে বসে। সেখানে কোনো সমাধান না হওয়ায় সাদ্দাম ও বাদশা রাত ৮ টার দিকে সেখান থেকে চলে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে তাদের ওপর প্রতিপক্ষ গ্রুপ ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে শরীরের বিভিন্ন স্থান ক্ষত বিক্ষত করে।
আহতদের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় বাদশাহকে রাতেই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকগণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-২ গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রাখে।
আজ (শুক্রবার,৩ জুলাই) নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-২ জানতে পারে এ হত্যাকান্ডের প্রধান অভিযুক্ত মো. সুমন (২৫) জামালপুর জেলার সদর থানা এবং সহযোগী মো. শহীদ (৫৯) ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানা এলাকায় অবস্থান করছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-২ ও র্যাব-১৪ এর যৌথ আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ডের মুল অভিযুক্ত মো. সুমন (২৫) ও হুকুম দাতা মো. শহীদকে (৫৯) গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





