র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভোলা জেলার শশীভূষণ থানার আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামি জাকির হোসেন বাঘা পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। গোপন তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে র্যাব-১৫ এর ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানির একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং অবশেষে তার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে। ভিকটিম আমির হোসেনের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে, তা ফেরত না দেয়ায় বিবাদের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রথমে আমির হোসেনের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর জখম করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত প্রায় ৯টা ৫ মিনিটে শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মহাসড়কে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থাকে ঘাতকরা।
আরও পড়ুন:
এসময় ভিকটিম আমির হোসেনের বাবা আ. রহিম ও তার সঙ্গে থাকা ভুট্টো সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা দেশিয় ধারালো অস্ত্র ও চাপাতি দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আ. রহিমের মাথা, ঘাড় ও গলায় নির্মমভাবে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই জাকির হোসেন বাঘা ভোলা ছেড়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় আত্মগোপনে চলে যায় এবং পরিচয় গোপন রেখে অবস্থান করছিলো।
অবশেষে গত ৪ মে বিকাল আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটে র্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন ২ নম্বর বরইতলী ইউনিয়নের মুরাপাড়া পহরচান্দা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। সেখানকার লাল মিয়ার দোকানের পাশের একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।





