নিহত সৈকতের বাবা রঞ্জু মিয়া জানান, গতকাল (রোববার, ৫ এপ্রিল) দুপুরে সৈকত দোকান থেকে চকলেট কেনার জন্য তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল।
তিনি জানান, পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত জমিতে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
আরও পড়ুন:
নিহতের বাবা আরও জানান, ছেলে সৈকতকে মাদ্রাসায় ভর্তির প্রস্তুতি চলছিল। তারা উত্তর নরসিংহপুর এলাকার ইবলাম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি এবং শিশুটির মা একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বড় গোবিন্দপুর গ্রামে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) হাসিনুজ্জামান বলেন, ‘মাথা থ্যাতলানো অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে হত্যা করার আগে পাশবিক নির্যাতন করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে ময়নাতদন্তের পর। আমরা এরই মধ্যে হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে দিয়েছি। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে, স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তারা।





