চিকিৎসকরা জানান, ধর্ষণের পর শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে উরুর অংশে গভীর ক্ষত ও কাটাছেঁড়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে। গতকাল (সোমবার, ২ মার্চ) তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নেয়া হয়েছিল, কিন্তু রাতেই আবার অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে।
স্বজনেরা জানান, গতকাল রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্তও শিশুটি ইশারায় কথা বলার চেষ্টা করছিল। গভীর রাতে সে পানি ও খাবার চেয়েছিল, কিন্তু চিকিৎসকদের নিষেধাজ্ঞার কারণে তাকে কিছুই দেয়া সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন:
পরিবারের দাবি, মৃত্যুর আগে মেয়েটি ইশারায় একজনের নাম বলার চেষ্টা করেছিল এবং কিছু সংকেত দিয়েছিল, যা পুরোপুরি পরিষ্কার ছিল না।
পুলিশ জানায়, আগে এটি অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা হলেও, এখন তা সরাসরি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। তবে ঘটনায় জড়িত মূল অপরাধীদের এখনো শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত রোববার (১ মার্চ) সকালে ইকোপার্কের একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিশুটিকে ছটফট করতে দেখেন সড়ক সংস্কারের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকেরা। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা করেছিলেন।





