আজ (রোববার, ১ মার্চ) সকালের দিকে বিচ্ছিন্ন মাথা ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম আকন্দ বলেন, ‘আমারা খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল ময়লার স্তূপ থেকে মাথাটি উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সকালের দিকে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এর আগে দুই হাত ও পায়ের যে অংশ উদ্ধার করেছিলাম, এটা তারই অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুরো মাথায় পোকা ধরেছিল, ঘাড়ে ৩টি ধারালো অস্ত্রের চিহ্ন রয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য মাথাটি মর্গে রাখা হয়েছে ও ডিএনএনের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হবে।’
আরও পড়ুন:
হত্যার শিকার ওবায়দুল্লাহ নরসিংদী জেলার শিবপুর থানা তাতারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুল হামিদ মিয়ার ছেলে। বর্তমানে মতিঝিলের কমলাপুরের একটি বাসায় বসবাস করতেন।
এর আগে, গতকাল (শনিবার, ১ মার্চ) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে খণ্ডিত ওবায়দুল্লার হাত-পা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তদন্তে নামে তারা। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওবায়দুল্লাহর রুমমেট শাহীনকে তার কর্মস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে দেয়া স্বীকারোক্তিতে শাহীন জানায়, অনৈতিক প্রস্তাব ও কাটাকাটির জেরে রাগ থেকেই ওবায়দুল্লাহকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে সে।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ওবায়দুল্লাহকে খুনের পর তার দেহ সাত টুকরো করে তারই রুমমেট শাহীন। পরে ‘ঠান্ডা মাথায়’ মরদেহ গুম করতে নিজের সাইকেলে করে টুকরো করা মরদেহের অংশগুলো পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেয় শাহীন।





