পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ওবায়দুল্লাহকে খুনের পর তার দেহ সাত টুকরো করে তারই রুমমেট শাহীন। পরে ঠান্ডা মাথায় মরদেহ গুম করতে নিজের সাইকেলে করে টুকরো করা মরদেহের অংশগুলো পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেয় শাহীন।
এর আগে, গতকাল (শনিবার, ১ মার্চ) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে খণ্ডিত ওবায়দুল্লার হাত-পা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তদন্তে নামে তারা। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওবায়দুল্লার রুমমেট শাহীনকে তার কর্মস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
স্বীকারোক্তিতে শাহীন জানায়, অনৈতিক প্রস্তাব ও কাটাকাটির জেরে ক্ষোভ ও রাগ থেকেই ওবায়দুল্লাহকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে সে।
পুলিশ জানায়, খুনের পর মরদেহ গুম করতেই শরীরের অংশ বিভিন্ন জায়গা ফেলা হয়। হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি ও শাহীনের বাইসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তবে খণ্ডিত ৭ টুকরার মধ্যে এখনও ১ টুকরো উদ্ধারে কাজ চলছে বলেও জানানো হয়।





