খবর পেয়ে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। উভয়পক্ষের ইট-পাটকেলের আঘাতে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়। রাত সাড়ে ৮টায় মুক্তাগাছা থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও র্যাব-১৪ ঘটনাস্থলে সাজোয়া যান নিয়ে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় পুলিশ উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
পুলিশ জানায়, মুক্তাগাছা শহরের আটানী বাজারের ছোট মসজিদ মোড়ে গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভ্যান ও ভটভটি চালকের মাঝে বাকবিতণ্ডা হয়। পার্শ্ববর্তী দোকানের মালিক সোহেল ও খোকন তাদেরকে ছাড়িয়ে দেয়। পরে বিকেলে পাড়াটঙ্গী এলাকার লোকজন এসে তাড়াটি গ্রামের খোকন ও সোহেলের দোকান ও গোডাউন ভাঙচুর করে। এতে করে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হলে স্থানীয় নেতাদের ডাকে উভয়পক্ষ শনিবার বিকেলে বৈঠকে বসে।
আরও পড়ুন:
বৈঠকের এক পর্যায়ে দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। এসময় পুলিশ উভয়পক্ষকেই সরিয়ে দেয়। ইফতারের পর তারাটি এলাকার দুই শতাধিক লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা করে। পুলিশ হামলাকারীদের রুখতে অবস্থান নিলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সৃষ্টি হয়। এসময় পাঁচজন পুলিশসহ ১৫ জন আহত হয়। ভাঙচুর করা হয় ১০ থেকে ১২টি দোকান।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘তারাটি ও পাড়াটঙ্গী দুই এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাইন থেকে এ উত্তেজনা প্রশমিত করতে আইন প্রয়োগ করার ফলে কন্ট্রোলে চলে আসে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দু’পক্ষের মাঝে সংঘর্ষে পাঁচজন পুলিশ আহত হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ফাঁকা গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’





