নিহত তারেক মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতো। তারা দুই ভাই ও দুই বোন। প্রত্যক্ষদর্শী আখলাকুর রহমান, ঈসমাইল মিয়াসহ অনেকেই জানান, বিকেল থেকেই ঘড়গাঁও ক্ষেতের মাঠে কয়েকজন ছেলে মিলে ক্রিকেট খেলছিল। ক্রিকেট খেলার এক পর্যায়ে আগে থেকে নিয়ে আসা ছুরি দিয়ে আতিক নামে একটি ছেলে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে তারেককে।
গুরুতর আহতাবস্থায় এলাকাবাসী তারেককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে পথিমধ্যেই তার মৃত্যু ঘটে। তারেকের মরদেহ ২৫০ শয্যা মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। আতিক ও তারেক বন্ধু ছিল বলেও জানা যায়।
আরও পড়ুন:
এলাকাবাসী এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে বলেন, ‘আতিকের বাবা সফিক মিয়া তিনটি মার্ডার মামলার আসামি ছিল, জেলে কিছুদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, ঘাতককে গ্রেপ্তার করতে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’




