জানা গেছে, বিকেলে বিটিআরসি ভবনের সামনে হাজির হন মোবাইল ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টরা। এসময় তারা স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা উত্তেজিত হয়ে বিটিআরসি ভবনে ইট-পাটকেল ছুড়ে এ ভাঙচুর চালান। উপস্থিত জনতার কেউ কেউ ভবনে ঢুকে পড়েন বলেও কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উত্তেজিত জনতার একটি বড় অংশকে বিনিয়োগ বোর্ডের গলিতে দেখা যায়। হামলায় বিটিআরসির মসজিদের কাচ ভেঙে যায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়ায় সরে যায় বিক্ষোভকারীরা।
আরও পড়ুন:
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বিটিআরসির কর্মকর্তা জানান, এনইআইআর চালুর ফলে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল মোবাইল ফোনের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুব্ধ হয়ে এ হামলা চালিয়েছে।
আজকের ঘটনাকে পরিকল্পিত হামলা বলে মনে করছেন তারা। তারা বলছেন, প্রশাসনিক এলাকায় এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।





