ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মলানী বাজার এলাকার বাসিন্দা সলেমান আলী। পেশায় কৃষক হলেও নিজেকে গড়ে তুলেছেন উদ্যোক্তা হিসেবে। ২০১৩ সালে প্রথম ব্যাটারিবিহীন সোলার সেচ পাম্প উদ্ভাবন করেন। এতে সুফল পেয়ে ২০১৪ সাল থেকে কৃষকদের জন্য সোলার পাম্প তৈরি করা শুরু করেন। বর্তমানে তার মালিকানাধীন ২৬টি সোলার পাম্পের মধ্যে ৬টি নিজে পরিচালনা করেন এবং বাকি ২০টি ভাড়া দেন।
এসব সোলার পাম্প চলে সূর্যের আলোর মাধ্যমে। যা থেকে বছরে অন্তত ৮ লাখ টাকা আয় করেন এই উদ্যোক্তা। তার এই উদ্যোগে হাসি ফুটেছে অনেক কৃষকের মুখে। বাড়তি খরচ না থাকায় সোলারের দিকে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। জনপ্রিয় হচ্ছে সৌর বিদ্যুতের সেচ পাম্প।
আরও পড়ুন:
কৃষক সলোমান আলী বলেন, ‘আমি চেষ্টা করছি কৃষকের জন্য কিছু করার জন্য। কারণ ডিজেলের তো অনেক দাম তাই এটা বানানো।’
সারাদিন তেল ছাড়া চলছে এতে তাদের খরচ কম লাগছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।
সোলার প্রযুক্তি ছড়িয়ে পড়লে একদিকে যেমন কৃষক উপকৃত হবে অপরদিকে বিদ্যুৎ ও ডিজেলের ওপর নির্ভরতা কমা, পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি কৃষকের খরচও কমবে এমনটাই প্রত্যাশা কৃষি বিভাগের।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘কিভাবে আরও সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে সেচ প্রকল্প বাড়ানো যায় তা আমরা পরিকল্পনা করছি।’
কৃষকের স্বস্তিতেই হবে কৃষির উন্নতি বলছেন বিশেষজ্ঞরা।





