আসমা আক্তার, একজন সফল উদ্যোক্তা। পলিথিনকে না বলে, পাট দিয়ে উৎপাদিত পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। পাশাপাশি ব্লক-বাটিকেরও কাজ করে এগিয়ে যাচ্ছেন এ উদ্যোক্তা। তার কারখানায় কাজ করেন ২২ জন নারী। তবে কাঙ্ক্ষিত সরকারি সহায়তা না পাওয়ায় রয়েছে আক্ষেপও।
আসমা আক্তার বলেন, ‘আশা করি নতুন সরকার নারীদের নিয়ে চিন্তা করবে। অবহেলিত নারীদের নিয়ে কাজ করবে। তাদের কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করবে।’
আসমার মতো জেলার নারী ভোটাররা এবার নির্বাচনে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা, জীবনমানের উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করতে চান প্রার্থীদের কাছে। নিরাপত্তা, কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ এবং নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চান তারা।
আরও পড়ুন:
নারী ভোটারা জানান, নারীরা সব দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আর রাস্তাঘাটে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে এমন নিশ্চয়তা চান তারা।
শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়নই হবে আগামীর সরকারের বড় পরীক্ষা। নারীদের প্রত্যাশা, নতুন সরকার নারীর ক্ষমতায়নকে শুধু বক্তব্যে নয়, নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবে গুরুত্ব দেবে।
একজন নারী ভোটার জানান, ‘ঋণের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। সরকারি অনুদানের জায়গাগুলোতেও আমরা শিকার হচ্ছি।’
নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, শরীয়তপুরে তিনটি আসনে মোট ভোটার প্রায় ১২ লাখ। এরমধ্যে নারী ভোটার প্রায় ৫লাখ ৫০ হাজার।





