জেলার নিকলী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন বৃষ্টিপাত ছিল ১৬০ মিলিমিটার। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রোদের দেখা মিলেছে, যা কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে।
জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমি পানির নিচে চলে গেছে। এর মধ্যে শুধু ইটনা উপজেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় দুই হাজার ৬০০ হেক্টর বোরোধানের জমি। এতে ধান কাটতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষকরা। একইসঙ্গে অতিবৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সবজির ক্ষেতেও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নিকলী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক আখতার ফারুক জানান, আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলেও সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় তা কমে ৬১ দশমিক ১ মিলিমিটারে নেমে এসেছে।
আরও পড়ুন:
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘করিমগঞ্জের চামড়াঘাট এলাকার মগড়া নদীর পানি গতকাল ৬৩ সেন্টিমিটার বাড়লেও আজ ২ সেন্টিমিটার কমেছে। ইটনার ধনু-বৌলাই নদীতে গতকাল ৪৯ সেন্টিমিটার পানি বাড়লেও আজ বেড়েছে ১৪ সেন্টিমিটার। অষ্টগ্রামের কালনী নদীতে গতকাল ৬৯ সেন্টিমিটার বাড়লেও আজ বেড়েছে মাত্র ১ সেন্টিমিটার। ভৈরবের মেঘনা নদীর পানিও কমতে শুরু করেছে।’
তিনি জানান, আগেই কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের তথ্যে সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমি পানির নিচে রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা উপজেলায়।’
তবে এখন বৃষ্টিপাত না বাড়লে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।





