এসময় উপদেষ্টা বলেন, ‘রাজশাহীর কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য অতীতের কোনো সরকারই এমনটা করেননি। বরাদ্দকৃত এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা মাত্র ৫ থেকে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন।’
এসময় উদ্যোক্তাদের এই সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিগত সময়ে রাজশাহী অঞ্চলে উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে যোগাযোগ, জ্বালানিসহ সার্বিক সুবিধার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনাও নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘রাজশাহী অঞ্চলের কৃষি ফসল উদ্বৃত্ত থাকে। উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে উৎপাদিত কৃষিপণ্য কীভাবে বিদেশে রপ্তানি করা যায়, সে বিষয়েও নানান উদ্যোগ নেয়া হবে।’
আরও পড়ুন:
সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর থেকেই এ অঞ্চলের বন্ধ শিল্পকল-কারখানাগুলো খুলে দেয়া হবে বলে জানান। এতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে উত্তরাঞ্চলের অনেক মানুষ।
কনফারেন্সে উদ্যোক্তারা জানান, রাজশাহী অঞ্চলের কৃষি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পে বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা। বিশেষ করে আম, আলু, সবজি, মাছ এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যের ভ্যালু অ্যাডিশন, আধুনিক এগ্রো প্রসেসিং, কোল্ড চেইন, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
আলোচনায় বক্তারা বলছেন, উত্তরাঞ্চল কৃষি উৎপাদনে সমৃদ্ধ হলেও পর্যাপ্ত প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে না ওঠায় কৃষকরা অনেকসময় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই বিনিয়োগ বাড়িয়ে কৃষিপণ্যকে আন্তর্জাতিক মানে প্রক্রিয়াজাত করা গেলে রপ্তানি বাড়বে, অন্যদিকে কৃষকের আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
সম্মেলনে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, সরকারি সহায়তা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতের অংশীদারত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) উদ্যোগে রাজশাহী পিটিআইয়ের কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।





