রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
জীবাশ্ম জ্বালানিতে বাড়তি ব্যয়ে পেছাচ্ছে নবায়নযোগ্য খাত

জীবাশ্ম জ্বালানিতে বাড়তি ব্যয়ে পেছাচ্ছে নবায়নযোগ্য খাত

দেশের জ্বালানি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকির বড় অংশ এখনো জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর প্রকল্পেই ব্যয় হচ্ছে। এতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোচ্ছে না। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নীতিমালার বাইরে গিয়ে নতুন করে আমদানি চুক্তি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আর বাজেটে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপও জরুরি। তবে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছাতে জ্বালানি খাতের যে মিশ্রণ করা হচ্ছে, সেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়বে।

‘দুষ্টচক্র’ ভেঙে জ্বালানি নিরাপত্তায় ৫ উদ্যোগ সরকারের

‘দুষ্টচক্র’ ভেঙে জ্বালানি নিরাপত্তায় ৫ উদ্যোগ সরকারের

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, জ্বালানি খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা ও ‘দুষ্টচক্র’ ভেঙে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার পাঁচটি মূল উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

তড়িঘড়ি করে জ্বালানির মূল্য পুনর্নির্ধারণ করলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে: অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

তড়িঘড়ি করে জ্বালানির মূল্য পুনর্নির্ধারণ করলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে: অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

তড়িঘড়ি করে জ্বালানির মূল্য পুনর্নির্ধারণ করলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, ‘যে কারণে সরকার জ্বালানি খাতে সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দিচ্ছে।

ঋণ নয়, মালিকানানির্ভর শিল্পায়ন চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা

ঋণ নয়, মালিকানানির্ভর শিল্পায়ন চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা

সরকার ঋণনির্ভরতা কমিয়ে মালিকানা নির্ভর শিল্পায়ন চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এজন্য উদ্যোক্তাদের ব্যাংকঋণ কমিয়ে শেয়ারবাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহে উৎসাহিত করবে বলেও জানান তিনি। কে ব্যাংক ঋণ পাবে, আর কে পুঁজিবাজারে যাবে এটি ঠিক করতে হবে। এজন্য আগামী অর্থবছরের বাজেটে রূপান্তর ও সংস্কারের পদক্ষেপ থাকবে বলে জানিয়েছেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

‌‘২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি ১৫ শতাংশে উন্নীতের লক্ষ্য নির্ধারণ সরকারের’

‌‘২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি ১৫ শতাংশে উন্নীতের লক্ষ্য নির্ধারণ সরকারের’

২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং দেশকে বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি মডেলের দিকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো পুনর্গঠনে একটি সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরেছেন। আজ (বুধবার, ৪ মার্চ) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে সিপিডি ও দ্য ডেইলি স্টার আয়োজিত ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন পর্যালোচনা: নবনির্বাচিত সরকারের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদী অগ্রাধিকার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।