অপেক্ষা দীর্ঘ হলেও কখন গ্যাস পাবেন কিছুই যানেন না তিনি। গ্যাস না নিয়ে বাড়ি ফিরে যাবে সে উপায়ও নেই কেননা ফেরার মতো গ্যাস নেই সিলিন্ডারে। তাই খুব সহজে তার অপেক্ষার পালা ফুরাচ্ছে না এটা অন্তত বোঝা যাচ্ছে
সুলতান ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে বলেন, ‘রাইত থেইকা বইয়া আছি, গ্যাস নাই, রোজগারপাতি বন্ধ, সমিতির কিস্তি—পুরান গাড়িতে পেট্রোল তুইলা বাড়ি যামু তাও মিস্তিরি আইনা লাইন ঠিকঠাক করান লাগবো, এত টেকা কই পামু আমি? গ্যাসের একটা ব্যবস্থা না হইলে উপায় নাই।’
টানা কয়েক দিন ধরেই ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ কমেছে। তবে গত রাত থেকে সরবরাহ একেবারে বন্ধ হয়ে পড়ায় আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই) সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে বেশির ভাগ সিএনজি ফিলিং স্টেশন।
আরও পড়ুন:
মধ্যরাত থেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গ্যাসের আশায় লাইনে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, প্রাইভেকার এম্বুলেন্স বাসট্রাকসহ বিভিন্ন পরিবহন দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও, অনেক চালক গ্যাস ছাড়াই বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করতে না পাড়ায় যাত্রী দুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি দৈনিক আয়-রোজগার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে চালকরা জানান।
এদিকে ময়মনসিংহ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন অ্যান্ড ডিষ্ট্রিবিউশনের কর্তৃপক্ষ বেশকিছু এলাকায় শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও আবাসিক গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করছে জানিয়ে দুঃখিত প্রকাশ করে মূল ফটোকে বিজ্ঞপ্তি ঝুলিয়ে দিয়েছেন।
সিএনজির পাশাপাশি বাসা বাড়িতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে দাবি জানিয়েছেন পরিবহন চালকরা। তবে কবে নাগাদ গ্যাস সরকারের স্বাভাবিক হবে তা একরকম অনিশ্চিত।




