ছুটি ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য হলো সড়কপথে যাতায়াত কমানো এবং প্লাবিত সড়কগুলোতে সাধারণ মানুষের যানজট ভোগান্তি নিরসন করা। তবে জরুরি বা গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কার্যাবলি নিজ নিজ বিভাগীয় প্রধানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অব্যাহত রাখা যেতে পারে বলে জানিয়েছে থাইল্যান্ড সরকার।
টানা ৪৮ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার (১২ ইঞ্চি) বর্ষণ রেকর্ড করার পর শনিবার পুরো ব্যাংকক শহরকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে ব্যাংকক মেট্রোপলিটন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিএমএ)। এর ফলে প্রধান প্রধান সড়ক প্লাবিত হয়ে যানবাহন চলাচলে চরম ব্যাঘাত ঘটে। রোববারে বৃষ্টির বেগ কিছুটা কমায় পানি নামতে শুরু করলেও অনেক বাসিন্দা এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।
এদিকে নির্বাচনসংক্রান্ত এক মামলার রায়ের ওপর এ সরকারি ছুটির কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে থাইল্যান্ডের সংবিধান আদালত। গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ব্যালটসংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে আদালত নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী সোমবারই রায় ঘোষণা করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।





