সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত (রাত ৯টা) মুহুরি নদীর ওই অংশে নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও পুলিশ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
নিখোঁজ সাকিব কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার অলিপুর গ্রামের আলী মিয়ার ছেলে। তারা চট্টগ্রামে ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি চিথলিয়া ইউনিয়নের জঙ্গল গোনা গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নানার বাড়ির পাশে মুহুরি নদীতে গোসল করতে নামেন সাকিব। নদীর তীব্র স্রোতে তিনি তলিয়ে যান। স্থানীয়রা উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে প্রশাসনকে খবর দেন। নিখোঁজের পর স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের যৌথ দল উদ্ধার শুরু করেছে।
সাকিবের নানি বেগমেন্নেছা বলেন, ‘গতকাল আমার নাতি চট্টগ্রাম থেকে বেড়াতে এসেছে। আসার পর আমার সঙ্গে তেমন কথা বলেনি। ভাত খেতে বলেছিলাম, তাও খায়নি। আজ দুপুরে দুই মহিলার সঙ্গে নদীতে গোসল করতে গিয়ে পরে শুনি পানিতে ডুবে গেছে। আমার মেয়ে ও মেয়ের জামাই সবাই চট্টগ্রামে থাকে। সাকিব মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল।’
নদীতে সাকিবের সঙ্গে গোসল করতে গিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা মায়া আক্তার। তিনি জানান, সাকিব নদীতে নেমে পানিতে ডুব দেওয়ার পর ভেসে ওঠেননি। আতঙ্কিত হয়ে তিনি দ্রুত পাড়ে ফিরে আসেন এবং গ্রামবাসীকে জানান।
পরশুরাম ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রাথমিক তল্লাশিতে সাকিবের সন্ধান না পাওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। সন্ধ্যার পর চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কার্যক্রমে যোগ দিয়েছে।
পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।





