আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ আগে টিকটকার আকরাম শেখ চুমুরদী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ঈদ উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে বিতরণকৃত চাল আত্মসাৎ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান সোহাগ মোল্লা এমন একটা ভিডিও করে ফেসবুকে প্রচার করেন।
ইউপি চেয়ারম্যান সোহাগ মোল্লার বাড়ি ও টিকটকার আকরামের বাড়ি বাবনাতলা একই গ্রামে। বিষয়টি না জেনে ভিডিও আপলোড করায় ইউপি চেয়ারম্যান আকরামের উপর ক্ষুব্ধ হন।
এরই জের ধরে শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় বাবনাতলা বাসস্ট্যান্ডে টিকটকার আকরামের সাথে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই চন্দন মোল্লার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
আরও পড়ুন:
এ খবর গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে টিকটকার আকরাম শেখের দলের মাতুব্বর শাহাবুদ্দিন মোল্লার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাবনাতলা বাসস্ট্যান্ডে জড়ো হয়। অপরদিকে চেয়ারম্যানের ভাই চন্দন মোল্লার দলের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাবনাতলা বাসস্ট্যান্ডে জড়ো হয়। পরে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘন্টাব্যাপী দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২৫ জন আহত হয়। সংবাদ পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।
ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




