আহত ব্যক্তিদের পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন— জুনাইদ (৯), সুফিয়া (৫০), নজরুল (৪২), অনিক (৭), নাজমুল (৫), ফাতেমা (৮০), আয়েশা (৬০), আছিয়া (৭০), আব্দুল কুদ্দুছ (৫০) ও নজরুল (৪০)। তারা সবাই উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নের বাদেপুটিকা (বাগপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বাড়ির বারান্দায় থাকা সুজন মিয়ার ছেলে জুনাইদকে (৯) প্রথমে একটি শিয়াল কামড়ে দেয়। পরে শিয়ালটি গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে আরও কয়েকজনকে কামড়ে আহত করে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে গ্রামবাসীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে চলাচল শুরু করেন।
স্থানীয়রা আরও জানান, বিকেলে গ্রামের শতাধিক মানুষ শিয়ালটিকে খুঁজতে বের হন। পরে গ্রামের পাশের একটি ঝোপে শিয়ালটির সন্ধান মিললে সেটিকে ধাওয়া করে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর মৃত শিয়ালটিকে বাঁশে ঝুলিয়ে গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় প্রদক্ষিণ করেন গ্রামবাসী।
পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, ‘আহতদের জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। গুরুতর আহত দু’জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’




