দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম ব্যস্ত নৌরুট পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া। প্রতিদিন এই ঘাট ব্যবহার করে পারাপার হয় হাজারো যাত্রী ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। তবে গত কয়েকদিন ধরে পাটুরিয়া ৪ ও ৫ নম্বর ঘাট এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।
যাত্রীরা জানান, পানি বাড়লে ৫ নম্বর ঘাটে ডাইভারশন রাখা সম্ভব না। ওঠানামার রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। বৃষ্টি হলেই এর অবস্থা আরও বেশ খারাপ হয়ে যায়। মাটি ফেলে যদি সমান করে তাহলে একটু সুবিধা হয়।
আর কয়েকদিন পরেই কোরবানির ঈদ। প্রতি বছর এই সময়ে ঘাটে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়ে যায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। তাই ভাঙন অব্যাহত থাকলে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন এবং দীর্ঘ যানজটের আশঙ্কা করছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন:
যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের সকল ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করেছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে, পদ্মায় পানি বাড়তে থাকায় ঘাটগুলো নিচু স্তর থেকে উঁচুতে স্থানান্তর করা হচ্ছে বলে জানায় বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
মানিকগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএর ডিজিএম মোহাম্মদ আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা পল্টনে সাইড রেলিং দিয়েছি যাতে করে কোন গাড়ি পল্টনে গেলে সে বাধা প্রাপ্ত হইতে পারে। পাশাপাশি নদীতে ঝড়ে যদি কোন ফেরি কোন সমস্যা হয়, সেক্ষেত্রে ফেরিগুলোকে রেসকিউ করার জন্য আমাদের উদ্ধারকারী জাহাজ আইটি স্ট্যান্ডবাই আছে।’
মানিকগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রবিউল আলম বলেন, ‘নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। সেই লক্ষ্যে আমরা ঘাট স্থানান্তর হবে, তার পূর্বেই আমরা মিটডাউনের ঘাটগুলো প্রস্তুত অনেকাংশ হয়ে গেছে। আর দুই একদিনের মধ্যেই আমাদের মিটডাউনের ঘাটগুলো প্রস্তুত হয়ে যাবে।’
ভোগান্তি কমাতে ঘাট এলাকায় দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি যাত্রী ও যানবাহন চালকদের।




