এর আগে শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাশখান এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়া কাজী বুকে ব্যথা নিয়ে রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এরপর চিকিৎসক রোগী দেখতে দেরি করেছেন- এমন অভিযোগ তুলে জরুরি বিভাগে ভাঙচুর চালান ক্ষুব্ধ স্বজনরা।
পরে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল চিকিৎসক নাসির ইসলামকে মারধর করতে করতে জরুরি বিভাগের কক্ষ থেকে বাইরে নিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।
আহত চিকিৎসককে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।





