‘কচুয়া-বেতাগী-পটুয়াখালী’ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রমত্তা এ পায়রা নদী। জনদুর্ভোগ কমাতে ২০২০ সালের মার্চে একনেকে সেতু নির্মাণ প্রকল্পের 'ডিপিপি' অনুমোদিত হয়। এত বছরেও এই ১ হাজার ৬৮৭ দশমিক ৭০ মিটার দীর্ঘ সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় চরম ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছেন এখানকার মানুষ।
স্থানীয় একজন বলেন, ‘ব্রিজটা খুব দরকার, যোগাযোগের জন্য খুবই উপকার। আমরা ফেরিঘাটে আইসা অনেক সময় লেট করতে হয়। এক ঘণ্টা আগে আসছি।’
এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন, ‘আমাদের এ যে ব্রিজটা পদ্মা সেতুর মতো আমাদের এ পায়রা ব্রিজ, আমাদের এটা একটা স্বপ্নের ব্রিজ। আমরা এখানে পটুয়াখালীর যে সুবিধাটা, আমাদের যে জেলা সেটা আমরা কখনোই ভোগ করতে পারি নাই এই নদীটার কারণে।’
আরও পড়ুন
দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিতে জিওবি’র অর্থায়নে প্রায় ১ হাজার বিয়াল্লিশ কোটি টাকা ব্যায়ে এ সেতুটি নির্মাণ কাজ চলছে। তবে কাজের ধীরগতিতে বিড়ম্বনায় পড়ছে সাধারণেরা।
এদিকে, নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে সেতুর নকশায় পরিবর্তন আনা হলেও দ্রুত কাজ শুরুর সংশ্লিষ্টদের।
মীর আখতার হোসাইন লিমিটেডের সহকারী প্রোজেক্ট ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার ফারহান খান চৌধুরী বলেন, ‘কাজ করার জন্য যে জনবল এবং ম্যাটেরিয়ালস দরকার, মোবিলাইজ করেই তারা কাজ শুরু করবে তো আশা করা যাচ্ছে যে অনুমোদনের পর মাস তিনেকের মধ্যেই তারা কাজ শুরু করতে পারবে এবং নদীর মধ্যে কাজ শুরু হবে।’
পায়রাকুঞ্জ সেতু কর্তৃপক্ষের পিডি মো. তোফাজ্জেল হোসাইন বলেন, ‘এরই মধ্যে কাজ শুরু করে ফেলেছি এবং আমাদের ভায়াডাক্টের আপনারা দেখবেন ফাউন্ডেশনের ওয়ার্ক শেষ এবং আমরা পাইল ক্যাপ এবং সুপারস্ট্রাকচারের কাজগুলো করছি ভায়াডাক্ট অংশের এবং আমাদের মেইন ব্রিজের কাজটা আমরা ড্রয়িং সাবমিশন করেছিলাম, এর পরবর্তীতে কিছু টেকনিক্যাল বিষয়ে আরও কিছু জাস্টিফিকেশনের জন্য আমরা ড্রয়িংটা রিভাইজ করেছি এবং খুব দ্রুতই আমরা আমাদের মেইন ব্রিজের ড্রয়িং সাবমিট করবো।’
দ্রুত এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি সুবিধা বঞ্চিত এই অঞ্চলের মানুষের।





