অভিযোগ উঠেছে, অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রকল্প এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। অনেক ভবন তালাবদ্ধ, ভিতরে বসবাসের কোনো চিহ্ন নেই।
এসব স্থাপনার বিপরীতে ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করেছে জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা। আইন অমান্য করে সড়কের ১৯টি এলএ কেসে অন্তত ১২০টি আপত্তি নিষ্পত্তি করে দেয়া হয়েছে ক্ষতিপূরণের টাকা। স্থানীয় একজন বলেন, ‘সরকারের টাকাগুলো কীভাবে আত্মসাৎ করা যায় তার একটা পরিকল্পনা ছিলো।’
পাপরাইল এলাকার জয়নাল খার জমিতে ২০০ গাছ দেখানো হলেও বাস্তবে রয়েছে অল্প কিছু গাছ। একটি বড় গাছের মূল্য ধরা হয়েছে ৫৬ হাজার টাকা। অথচ সরেজমিনে ওই আকারের কোনো গাছ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে উত্তর না দিয়ে চলে যান। সরকারি কর্মচারীরা একযোগে কাজ করে এ অনিয়ম করেছে বলে জানান স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তরা।
আরও পড়ুন
শরীয়তপুরের ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমি ক্যামেরার সামনে কথা বলার জন্য প্রস্তুত নয়।’
এরই মধ্যে অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা শেষ। প্রকল্পের জন্য আরও ৪১৫ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব সড়ক ও জনপথ বিভাগের। তবে ব্যয় বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস সংশ্লিষ্টদের।
শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, ‘ভূমি অধিগ্রহণের সময় যে টাকা ধরা হয়েছিলো। তা আগের আইন অনুযায়ী, তাই বর্তমানের সঙ্গে কিছুটা গরমিল আসছে।’
২০১৯-২০ অর্থবছরে শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক সড়ক পুনর্নির্মাণের জন্য প্রকল্প হাতে নেয় সড়ক ও জনপদ বিভাগ। ৩৫ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ প্রকল্পে ৬ বছরে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে- মাত্র ৬ কিলোমিটার।





