আমানত ফেরত দেয়ার দাবিতে সকাল ১১টায় খাতুনগঞ্জে হাজির হন সম্মিলিত ৫ ইসলামী ব্যাংকের শতাধিক গ্রাহক। এক পর্যায়ে তারা স্লৌগান দিয়ে ঢুকে পড়েন ইউনিয়ন ভ্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ভেতরে। হট্টগোল-মিছিল-স্লোগান চলতে থাকে শাখার ভেতরে ও বাইরে।
এসময় বন্ধ হয়ে যায় ব্যাংকগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম। আতঙ্কে কর্মস্থল ছেড়ে নিরাপদে সরে যান ব্যাংক কর্মকর্তারা। প্রায় ২ ঘণ্টা টানা আন্দোলনের পাশাপাশি শাখা ব্যবস্থাপকের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও ফোনে দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন বিক্ষোভকারীরা।
আরও পড়ুন:
এসময় তারা অভিযোগ করেন, সারা দেশে প্রায় ৭৫ লাখ গ্রাহকের কেউ কোটি টাকা, কেউ লাখ লাখ টাকা জমা করেছেন সম্মিলিত ৫ ইসলামী ব্যাংকে। অথচ গত ২ বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরে সে আমানত বা লভ্যাংশ পাচ্ছে না কেউই। কখনও কখনও মাত্র ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দেয়া হয় মর্জি মতো। টাকা তুলতে ব্যাংকে এলে দুর্ব্যবহারেরও শিকার হন অনেকে। এতে দৈন্যন্দিন ব্যয় মেটানো সম্ভব হচ্ছে না অনেকের। জমা টাকাও আদৌ পাবেন কি না— সে আতঙ্ক এখন সবার মাঝে।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর পুলিশ এসে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, ব্যাংকগুলোতে গত ২ বছর গ্রাহকদের দেয়া লভ্যাংশ এখন মূল টাকা থেকে উল্টো কেটে নেয়া হচ্ছে, যা অযৌক্তিক। এক পর্যায়ে ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকে তালা মারতে গেলে বাধা দেয় পুলিশ।
গত অন্তবর্তী সরকারের সময় ইউনিয়ন ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, গ্লোবাল ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে।





