ঝিনাইদহের ভৈরবা সাকোরখাল এলাকায় ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর উদ্বোধন করা হয় ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি। এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হলেও চালু হয়নি আজও।
দীর্ঘদিন পড়ে থেকে নষ্ট হয়েছে হাসপাতালের ভবন, অনেক জায়গায় খসে পড়ছে পলেস্তারা। এছাড়া খালি পড়ে থাকায় চুরি হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ।
আরও পড়ুন:
হাসপাতালটি নামে মাত্র তৈরি করা হয়ে কোনো ডাক্তার আসে না। এমনকি অসুস্থ হলে যশোর নিয়ে যাওয়া লাগে বলে জানান এলাকাবাসীরা।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, প্রশাসনিক অনুমোদন না থাকায় চালু করার সম্ভব হচ্ছে না হাসপাতালটি। ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘লোকবল ও লজিস্টিক সার্পোট না থাকায় চালু করা যাচ্ছে না। মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়া গেলেই চালু করা যাবে।’
হাসপাতালটি চালু হলে প্রতিমাসে স্বাস্থ্য সেবা পাবে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার রোগী।





