২০১৮ সালে নগরজুড়ে পার্কিং টাইলসে মোড়ানো ৪৮ কিলোমিটার চওড়া ফুটপাত নির্মাণ করে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। তবে অবৈধভাবে ফুটপাত দখল থাকায় ৩ হাজার কোটি টাকার নগর উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা শুরু থেকেই পাননি পথচারীরা।
পথচারীরা জানান, সাধারণ মানুষ যেতে বাধ্য হয় কারণ হলো রাস্তার সাইডগুলো ফুটপাথ আর এই অটোরিকশাগুলো বন্ধ করে রেখেছে।
নগরীর সাহেববাজার ও এর আশেপাশের চিত্র আরও ভয়াবহ। ফুটপাত জুড়ে বাজার, খাবার দোকান, স্যান্ডেল, মনোহারি দিয়ে ছোট-বড় নানান ব্যবসার দখলে ভোগান্তিতে পুরো এলাকা।
পথচারীরা জানান, নাগরিক হিসেবে আমাদের তো অধিকার, যে আমরা নিরাপদ সড়ক চাই, নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে চাই। সেজন্য ফুটপাথ যেন দখলমুক্ত থাকে।
আরও পড়ুন:
ফুটপাত দখলমুক্ত করা না গেলে পথচারীদের নিরাপত্তা ও নগরীর সৌন্দর্য সংকটে পড়বে বলে মনে করছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের দাবি লোক দেখানো অভিযান না করে সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে।
তবে এবার নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত করার আশ্বাস নগর প্রশাসনের।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘যারা এখানে ব্যবসা করছে, তারাও বিকল্প কোনো চিন্তা করে রাখবেন। আমাদেরও যদি কোনো সুযোগ সুবিধা দয়ার মতো তারা মনে করেন যে আমাদের সহযোগিতা দরকার, আমরা তাদের সহযোগিতা করবো। আমরা ফুটপাথগুলো অবশ্যই দখলমুক্ত করতে চাই, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে চাই।’
রাজশাহীকে জনবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।





