নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনের একাধিক সদস্যের কাছে ডাকযোগে ও বাসার দরজার নিচ দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। প্রতিটি চিঠির সঙ্গেই ছিল সাদা কাফনের কাপড় ও আগরবাতি, যা সরাসরি মৃত্যুর বার্তার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
চিঠিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে লেখা ছিল, ‘পাতানো নির্বাচন বন্ধ না করলে জীবন দিতে হবে সাদা কাফনে।’
আরও পড়ুন:
জেলা আইনজীবী সমিতির সূত্রে জানা যায়, আগামী ১০ এপ্রিল এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এবারের নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পদে মোট ৩৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।
যাচাই-বাছাই শেষে সবার মনোনয়ন বৈধ হলেও প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল শুরু থেকেই উত্তেজনা তৈরি করেছিল।
সহকারী নির্বাচন কমিশনার লতিফ ফরাজী বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পিতভাবে ভয় দেখানো হয়েছে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ নির্বাচনের স্বার্থে আমরা আপাতত এই প্রক্রিয়া স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছি।’
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জানান, বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে জানানো হয়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





