আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা। নির্বাচনে সমিতির মোট ৬৮৯ জন ভোটারের মধ্যে ৬৫৪ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দুই শতাধিক ভোট গণনা করা হয়। তবে তার আগে সন্ধ্যায় সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুধীর চন্দ্র ঘোষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন যে, ভোটারদের ব্যালট ও মুড়িতে একই ক্রমিক নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ভোটারের ‘গোপনীয়তা নষ্ট হয়েছে’। তাই তিনি নির্বাচন ও ভোট গণনা স্থগিতের দাবি জানান।
এছাড়াও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী আব্দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমানও মৌখিকভাবে একই অভিযোগ জানান নির্বাচন কমিশনে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাতে ভোট গণনা ও নির্বাচন স্থগিত করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
আরও পড়ুন:
নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী, জেলা আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, ‘কোনো সমস্যা ছিলো না। ভোট গণনা অবস্থায় নির্বাচন স্থগিত করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশন। এটা বিধি বিধানের বাইরে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মালেক বলেন, ‘একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছি। তারা বলেছেন, ব্যালটের ত্রুটি-বিচ্যুতি ছিলো। কিন্তু এটা কোনো ত্রুটি না। ভোট গণনার কোনো পরিবেশ না থাকায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।’




