নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ঠাকুরলক্ষীকুল গ্রামের চাষি শাহ জামাল। এ বছর বিঘাখানেক জমিতে কন্দ জাতের পেঁয়াজ চাষ করেন তিনি।
বিঘা প্রতি জমিতে খরচ হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। অথচ ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা মণ দরে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পেঁয়াজ। এতে উঠছে না উৎপাদন খরচও। তার মতো একই অবস্থা জেলার বেশিরভাগ চাষির।
শাহ জামাল বলেন, ‘শ্রমিকের দাম তুলবো, নাকি পেঁয়াজ লাগানোর খরচ তুলবো। কেমন করে কি করবো জানি না।’
আরও পড়ুন:
পেঁয়াজের যে দাম, এতে করে আমরা তো আর কোনো লাভের মুখ দেখবো না বলে জানান পেঁয়াজচাষিরা।
মৌসুমে দুবার উৎপাদন হয় পেঁয়াজ। এখন উঠছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ। দুই থেকে আড়াই মাস পর উঠবে হালি পেঁয়াজ। ভরা মৌসুমে আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখার দাবি চাষি ও ব্যবসায়ীদের। চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার আমদানি বন্ধ রাখলে ভালো দাম পাওয়া যাবে।
নাটোরে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ২৮ হাজার টন। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্তত ৭০ হাজার টন উদ্বৃত্ত থাকবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।




