মাঠজুড়ে আলুর সমারোহ থাকলেও স্থানীয় বাজারে নেই কাঙ্ক্ষিত দাম। মানভেদে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫ থেকে টাকায়। উৎপাদন খরচ উঠবে কি না—এ দুশ্চিন্তায় ক্ষেত থেকে আলু তুলতেই ভয় পাচ্ছেন অনেকে। চাষিরা বলছেন, গত বছরের লোকসান পুষিয়ে নেয়ার আশায় এবার ধার-দেনা আর ঋণ নিয়ে আলুর আবাদ করেছেন তারা। বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে অন্তত ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু বর্তমান দরে শ্রমিকের মজুরি উঠানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
আলু চাষিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আলুর দাম না থাকলেও কীটনাশকের দাম অনেক বেশি। আর গত বছর ও দাম না পাওয়ার হতাশ তারা।
আরও পড়ুন:
চলতি মৌসুমে জেলায় ১৩ হাজার ৪৬৬ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলন হয়েছে। এ অবস্থায় কৃষকদের লোকসান কমাতে সংরক্ষণের সক্ষমতার পাশাপাশি রপ্তানি পরিধি বাড়ানোর কথা জানালেন কৃষি অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা।
পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল মতিন বলেন, ‘আশাকরা যাচ্ছে চাষীরা অতিরিক্ত আলু কোলস্টরে সংরক্ষণ করার জন্য বলা হয়েছে তাদেরকে।’
ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকের কষ্টে উৎপাদিত আলু এখন তাদের গলার কাঁটা। ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হলে আগামী দিনে আলু চাষ মারাত্মক হুমকিতে পড়বে—এমন শঙ্কাই কৃষকদের।





