সম্প্রতি আসমা সাদিয়া রুনা সমাজ কল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ার পর কর্মচারী ফজলুর রহমানকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করার কারণে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে, এর বাইরে কোনো কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে কাজ করছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গতকাল বিকেল ৪টার দিকে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাত করে কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে নিজেও গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। গুরুতর অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়া হলে আসমা সাদিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছে অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুর রহমান।





