মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ। মাঠের একপাশ দিয়ে বয়ে গেছে গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের প্রধান সেচ খাল।
একসময় এই খালের পানিতেই মাঠজুড়ে ফসল ফলাতেন কৃষকেরা। এখন পুরোপুরি বন্ধ পানি সরবরাহ। বাধ্য হয়ে গভীর নলকূপের পানির ওপর নির্ভর করে আবাদ করতে হচ্ছে চাষিদের। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কমছে পেঁয়াজ-রসুন ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ। একই চিত্র মাগুরা সদর ও শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। এ অবস্থায় জিকে সেচ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি কৃষকদের।
আরও পড়ুন :
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা বলছেন, জিকে প্রকল্পের কেন্দ্রে নতুন পাম্প স্থাপন ও খাল খননের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন হলে পুনরায় সেচ সুবিধা পাবেন কৃষক।
মাগুরার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সারোয়ার জাহান সুজন বলেন, ‘খাল খননসহ অন্যান্য কাজগুলো শেষ হলে মাগুরার টিলিং পর্যন্ত পানি আসবে এবং কৃষক বহুলাংশে উপকৃত হবে।’
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্য মতে, মাগুরায় প্রধান, সাবসিডিয়ারি ও টারশিয়ারি খাল রয়েছে ১শ ৪২ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার। এর আওতায় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৯ হাজার ৮শ ৪৬ হেক্টর।





